‘‘দেশ থেকে দেশান্তরে, ভয়েস অব পিপল সবার ঘরে’’

ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটির ঘটনায় ইরানের সংশ্লিষ্টতার ‘শক্তিশালী ইঙ্গিত’ রয়েছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটির ঘটনায় ইরানের সংশ্লিষ্টতার ‘শক্তিশালী ইঙ্গিত’ রয়েছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

ভয়েস অব পিপল রিপোর্ট, ১ অক্টোবর:

যুক্তরাজ্যের গ্লুচেস্টারশায়ারে রয়্যাল এয়ার ফোর্স (আরএএফ) ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটির কাছে পাঁচ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় ইরানের সংশ্লিষ্টতার ‘শক্তিশালী ইঙ্গিত’ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। তবে তদন্ত এখনো চলমান এবং এখন পর্যন্ত আদালতে ইরানের সংশ্লিষ্টতা বা গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

২৭ সেপ্টেম্বর ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটির কাছে সন্দেহজনক গতিবিধির খবর পাওয়ার পর পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ-সম্পর্কিত অপরাধের সন্দেহে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি।

পুলিশের তল্লাশিতে তিনটি ভ্যান থেকে কোনো বিস্ফোরক ডিভাইস পাওয়া যায়নি। তবে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পেট্রল উদ্ধার করা হয়েছে বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। পরে গ্রেপ্তার পাঁচজনকে শর্তসাপেক্ষে পুলিশি জামিন দেওয়া হয়। জামিনে মুক্তি পাওয়ার অর্থ তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ হয়ে যাওয়া নয়।

ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—ঘটনাটির সঙ্গে কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের সম্ভাব্য যোগাযোগ ছিল কি না। এ প্রসঙ্গে বার্নহ্যাম ইরানের সংশ্লিষ্টতার শক্তিশালী ইঙ্গিতের কথা বলেছেন। তবে এই বক্তব্যকে এখনো আদালতে প্রতিষ্ঠিত কোনো তথ্য বা চূড়ান্ত তদন্ত-ফল হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি।

ইরান অবশ্য এই ধরনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ফলে বর্তমানে ঘটনাটির সঙ্গে ইরানের সম্পর্কের বিষয়টি ব্রিটিশ তদন্তকারীদের অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে বর্ণনা করাই যথাযথ।

তদন্তকারীরা আরও খতিয়ে দেখছেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের উদ্দেশ্য কী ছিল, তারা কোনো হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কি না এবং থাকলে এর পেছনে অন্য কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের ভূমিকা ছিল কি না।

ব্রিটিশ পুলিশের তদন্ত শেষ না হওয়া এবং প্রয়োজন হলে আদালতে প্রমাণ উপস্থাপনের আগে ঘটনাটিকে ‘হামলার ষড়যন্ত্র’ বা গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে চূড়ান্তভাবে উল্লেখ না করাই আইনি দিক থেকে সতর্ক ভাষা।