কিভাবে ইরান একটি ‘জম্বি শাসনে’ পরিণত হতে পারে ?
বিশ্ব সংবাদ ডেস্ক, ১ এপ্রিল:
ইরান যত বেশি আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে, ততই কি তার নেতৃত্ব একটি “জম্বি শাসনে” রূপ নিচ্ছে?
এমনটাই মনে করেন হোলি ড্যাগ্রেস, যিনি ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউটের একজন ইরানি-আমেরিকান বিশ্লেষক এবং ইরানিস্ট নিউজলেটারের লেখক।
রোল্যান্ড অলিফ্যান্ট এবং জ্যেষ্ঠ পররাষ্ট্র সংবাদদাতা সোফিয়া ইয়ানের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি ব্যাখ্যা করেন, কেন ইরানে আরও বেশি বিক্ষোভ দেখা যাচ্ছে না এবং কেন এই যুদ্ধ যেভাবেই শেষ হোক না কেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র নিজেদের বিজয় ঘোষণা করবে।
এছাড়াও প্রশ্ন উঠছে—হরমুজ প্রণালীর বর্তমান অচলাবস্থা দূর করতে কি সংযুক্ত আরব আমিরাত কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে?
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের মিত্রদের ওপর ক্রমশ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে, কারণ তারা পুরোপুরি অবরুদ্ধ জলপথটি পুনরায় চালু করতে সাহায্য করছে না। এর ফলে তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে এবং অর্থনৈতিক সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যাটো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার হুমকি দেওয়া থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের যুক্তরাজ্যকে তীব্র সমালোচনা—সব মিলিয়ে ওয়াশিংটনের অসন্তোষ এখন স্পষ্ট।
ভেনেশিয়া রেইনি মধ্যপ্রাচ্যের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ট্রাম্পের আজকের গুরুত্বপূর্ণ ভাষণের আগে দাবি—ইরান যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছে। পাশাপাশি একটি সম্ভাব্য গেম-চেঞ্জার রিপোর্টও সামনে এসেছে, যেখানে বলা হয়েছে—সংযুক্ত আরব আমিরাত একটি জোট গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছে, যা প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে পারে।