স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬ ঘোষণা, সম্মাননা পাচ্ছেন ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান
ঢাকা, ৬ মার্চ — জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের জন্য স্বাধীনতা পুরস্কার ঘোষণা করেছে সরকার। এ বছর মোট ২০ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক এই সম্মাননায় ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান করা হবে।
স্বাধীনতা পুরস্কার কী এবং কেন এটি দেওয়া হয়?
স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়। সরকার প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবস (২৬ মার্চ) উপলক্ষে এই পুরস্কার ঘোষণা ও প্রদান করে। সাহিত্য, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসাবিদ্যা, সমাজসেবা, ক্রীড়া, পল্লী উন্নয়ন, জনপ্রশাসন, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অবদানকে সম্মান জানাতে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
এ বছর স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারী শিক্ষা ও দেশগঠনে সার্বিক অবদানের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে (মরণোত্তর) স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিবছর সরকার এই পুরস্কার প্রদান করে। সাধারণত স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।