বাংলাদেশ সংবাদ
সংসদে মন্ত্রীদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে বিকল্প তিন মন্ত্রী
বাংলাদেশ প্রতিনিধি, ২৫ আগস্ট:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব নতুন করে ভাগ করে দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে কোনো মন্ত্রী অনুপস্থিত থাকলে তাঁর হয়ে কে সংসদে দায়িত্ব পালন করবেন, তাও নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নির্ধারিত মন্ত্রীরাই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী এজেডএম মো. জাহিদ হোসেন
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সংসদীয় কার্যক্রমের দায়িত্বে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি অনুপস্থিত থাকলে পর্যায়ক্রমে এই দায়িত্ব পালন করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী এজেডএম মো. জাহিদ হোসেন এবং শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
নতুন বণ্টনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় দায়িত্ব পেয়েছেন ড. আব্দুল মঈন খান। তাঁর অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করবেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন আফরোজা খানম। তিনি অনুপস্থিত থাকলে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ দায়িত্ব পালন করবেন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন আন্দালিব রহমান। তাঁর অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করবেন প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তাঁর অনুপস্থিতিতে ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন দায়িত্ব পালন করবেন।
এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সাচিং প্রুকে। তিনি অনুপস্থিত থাকলে একই দায়িত্ব পালন করবেন মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
এর আগে ২১ আগস্ট মন্ত্রিসভার ছয় নতুন সদস্য শপথ নেন। পরে তাদের মধ্যে দপ্তর বণ্টনের পাশাপাশি একজন পুরোনো মন্ত্রীর দায়িত্বও পুনর্বিন্যাস করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এবার সংসদে মন্ত্রণালয়গুলোর কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বও নতুন করে সাজানো হলো।
সরকারের নতুন আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। আগের প্রজ্ঞাপনের অন্যান্য সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত থাকবে বলেও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আদেশে জানানো হয়েছে।