"ধানের শীষের প্রতিশ্রুতি: যুবক, কৃষক ও নাগরিকদের জন্য বিএনপির ৩১ দফা ইশতেহার"

"ধানের শীষের প্রতিশ্রুতি: যুবক, কৃষক ও নাগরিকদের জন্য বিএনপির ৩১ দফা ইশতেহার"

বাংলাদেশ প্রতিনিধি, ৩ ফেব্রুয়ারি:  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি আগামী শুক্রবার প্রকাশ করতে যাচ্ছে তার নির্বাচনি ইশতেহার। দলটি ৩১ দফার এই ইশতেহারে যুব সমাজ, কৃষক, সংখ্যালঘু, নারী ও আলেম-ওলামা-সহ বিভিন্ন শ্রেণির নাগরিকদের জন্য বিশেষ প্রতিশ্রুতি রাখছে। ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো জনমুখী সেবা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দুর্নীতি দমন, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির উন্নয়ন ইশতেহারের মূল ভিত্তি। পাশাপাশি পরিবেশ, নিরাপত্তা, শ্রম ও শিক্ষা খাতেও লক্ষ্যনীয় উদ্যোগ নেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে।

বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের মূল প্রতিশ্রুতিগুলেঅ হচ্ছে : 

১. জনমুখী সেবা:

  • ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড, কৃষক কার্ড চালু।

  • জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা উন্নত করা।

২. গণতন্ত্র ও স্বচ্ছতা:

  • নির্বাচন কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত।

  • প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত।

৩. কৃষক ও কৃষি উন্নয়ন:

  • কৃষি উপকরণের দাম কমানো।

  • ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে স্বচ্ছ ব্যবস্থা।

  • কৃষিঋণ সহজলভ্য করা।

  • ধান-চাল কেনার স্বচ্ছতা।

৪. যুব ও কর্মসংস্থান:

  • ১৮–৩৩ বছর বয়সি প্রায় ৪.৫ কোটি যুবকের কর্মসংস্থান।

  • ১ কোটি নতুন চাকরি, স্টার্টআপ ফান্ড, আইটি প্রশিক্ষণ।

  • বিদেশে নতুন শ্রমবাজার ও ক্রিয়েটিভ ইকোনমি উন্নয়ন।

৫. নারী ও সংখ্যালঘু সুরক্ষা:

  • নারী নিরাপত্তা, কর্মক্ষেত্রে সমান সুযোগ, নারী উদ্যোক্তা তহবিল।

  • মাতৃত্বকালীন ভাতা বৃদ্ধি।

  • সংখ্যালঘু সম্পত্তি সুরক্ষা, ট্রাইব্যুনাল ও নিরাপত্তা সেল।

  • সাম্প্রদায়িক হামলা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা।

৬. তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল পদক্ষেপ:

  • ন্যাশনাল ই-ওয়ালেট চালু, ডিজিটাল লেনদেন সহজ করা।

  • বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা স্কুল, অফিস, গ্রাম, হাসপাতাল ও বিমানবন্দরে।

  • আইসিটি খাতে ১০ লাখ নতুন কর্মসংস্থান।

  • এআই-ভিত্তিক শিক্ষার মান বৃদ্ধি।

  • প্রথম এআই-চালিত ডেটা সেন্টার স্থাপন।

  • সাইবার নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার রক্ষা।

৭. পরিবেশ ও নগর উন্নয়ন:

  • খাল ও নদী পুনর্খনন।

  • ২৫ কোটি গাছ রোপণ।

  • বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা।

৮. ধর্ম ও শিক্ষা খাত:

  • কওমি মাদ্রাসা উন্নয়ন।

  • ইসলামিক গবেষণা তহবিল গঠন।

  • ধর্মীয় শিক্ষা আধুনিকীকরণ ও ধর্মচর্চার স্বাধীনতা।