বাংলাদেশ সংবাদ
ক্যাম্পাস ছাড়াই চলছে ২৫ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, ভাড়া ভবনে উচ্চশিক্ষার সংকট
নিজস্ব প্রতিবেদক, ৯ সেপ্টেম্বর:
বিশ্ববিদ্যালয় আছে, কিন্তু নেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাস। কোথাও ভাড়া করা বাড়িতে প্রশাসনিক কার্যক্রম, কোথাও অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবনে ক্লাস, আবার কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম ছড়িয়ে আছে একাধিক ভাড়া ভবনে। গবেষণাগার, আবাসন ও শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশের ঘাটতিও রয়েছে অনেক ক্ষেত্রে।
বাংলাদেশে এমন অবস্থায় কার্যক্রম চালাচ্ছে ২৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এর মধ্যে পাঁচটির এখনো শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়নি। তবে সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগসহ কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি চলছে। অন্যগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তি, শিক্ষক নিয়োগ ও পাঠদান শুরু হয়ে গেছে; কিন্তু স্থায়ী ক্যাম্পাস এখনো তৈরি হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) সূত্রে জানা গেছে, ২৫টির মধ্যে ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৩ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে অনুমোদন পেয়েছে। অন্যটি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি, যার অনুমোদন হয়েছে ২০২৫ সালে।
স্থায়ী ক্যাম্পাস নেই যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের
স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকা ২৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ছয়টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো—
১. জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
২. চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
৩. সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
৪. পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
৫. লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
৬. নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে তিনটি—
৭. খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
৮. হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
৯. কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয় চারটি—
১০. চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
১১. রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
১২. সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
১৩. খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
এ ছাড়া স্থায়ী ক্যাম্পাস ছাড়া থাকা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো—
১৪. নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়
১৫. ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়
১৬. রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়
১৭. ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশ
১৮. এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ
১৯. বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি
২০. কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়
২১. মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়
২২. নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়
২৩. বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়
২৪. ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি
২৫. ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়
কোথাও বাড়ি, কোথাও মাদ্রাসার ভবন
স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকার চিত্র সবচেয়ে স্পষ্ট সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থায়ী ক্যাম্পাস হওয়ার কথা সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে আহসানমারা সেতুর পূর্ব পাশে দেখার হাওরের পাড়ে। কিন্তু প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছর পরও সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃশ্যমান অবকাঠামো গড়ে ওঠেনি।
অস্থায়ী ব্যবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম চলছে বিভিন্ন ভাড়া ভবনে। কোথাও উপাচার্যের কার্যালয়, কোথাও ক্লাস, আবার অন্য ভবনে ল্যাবরেটরি। শিক্ষার্থীদের থাকার জন্যও ভাড়া ভবন ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়টির চারটি বিষয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে—কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, রসায়ন, পদার্থবিদ্যা ও গণিত। শিক্ষার্থী প্রায় ৪৮০ জন। শিক্ষক ১৫ জন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী ২৪ জন।
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একই ধরনের পরিস্থিতি ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশে। বিশ্ববিদ্যালয়টির একাডেমিক কার্যক্রম তিনটি ভাড়া ভবনে ছড়িয়ে আছে। একটি ভবনে তিনটি বিভাগের ক্লাস হয়। প্রশাসনিক ভবন আলাদা জায়গায়, আরেকটি একাডেমিক ভবনও রয়েছে দূরে।
প্রযুক্তিভিত্তিক বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়টির আইন পাস হয়েছিল ২০১৬ সালে। আট বছর পেরিয়েও নিজস্ব ক্যাম্পাসে যেতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে চার অনুষদের পাঁচ বিভাগে শিক্ষার্থী ৯২৮ জন। শিক্ষক ৪১ জন, কর্মকর্তা ৩৬ এবং কর্মচারী ৫২ জন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৫০ একর জমি নির্ধারণ করা হয়েছে। একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন, জমি অধিগ্রহণ এবং সীমানাপ্রাচীরসহ ৮০০ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন।
পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়নি
মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়, বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়নি। এসব প্রতিষ্ঠানে উপাচার্য নিয়োগসহ কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি চলছে।
নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে দুটি বিভাগ খোলার অনুমোদন পায়। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ওই দুই বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে। আর ঢাকার সাত কলেজকে নিয়ে গঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির কার্যক্রমও অস্থায়ী ব্যবস্থায় শুরু হয়েছে।
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি এবং চারটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থী পড়ানো হয় না। মাদ্রাসা, কলেজ ও মেডিকেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হিসেবে পরিচালিত হয়।
ক্যাম্পাস না থাকায় বাড়ছে সরকারি ব্যয়
স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকায় ভাড়া ভবন ব্যবহারের জন্য সরকারি অর্থ ব্যয় হচ্ছে। খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেই প্রতি মাসে ভাড়া বাবদ ভ্যাট ও কর ছাড়া প্রায় ৮ লাখ ২১ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে।
অন্যদিকে নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের কাজ এগিয়েছে তুলনামূলকভাবে বেশি। রাজুরবাজার এলাকায় ৫০০ একর জমিতে ক্যাম্পাস নির্মাণ করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির কিছু বিভাগ ইতিমধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তর করা হলেও প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ কয়েকটি বিভাগের কাজ এখনো অস্থায়ী স্থাপনায় চলছে।
নীতিমালা আছে, বাস্তবায়ন নেই
নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর আগে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত করার বিষয়ে ২০২৩ সালের মে মাসে ইউজিসির পূর্ণ কমিশনের সভায় একটি নীতিমালা অনুমোদিত হয়েছিল।
নীতিমালার উদ্দেশ্য ছিল—বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইন পাস হওয়ার পরপরই ভাড়া বাড়ি বা অন্য অস্থায়ী স্থাপনায় যেনতেনভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা বন্ধ করা। কিন্তু বাস্তবে সেই নীতিমালা কার্যকর হয়নি।
ফলে অনেক ক্ষেত্রে স্থায়ী ক্যাম্পাস, পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, গবেষণাগার কিংবা আবাসিক সুবিধা নিশ্চিত হওয়ার আগেই শিক্ষক-কর্মকর্তা নিয়োগ এবং শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু হয়েছে।
শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কেউ কেউ মনে করছেন, অবকাঠামো তৈরির আগে প্রশাসনিক কার্যক্রম ও নিয়োগ শুরু করার ফলে নিয়োগ-বাণিজ্য ও অনিয়মের সুযোগ তৈরি হয়। ইতিমধ্যে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে নিয়োগসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে।
খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক উপাচার্যের বিরুদ্ধে নিজের পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল।
বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়েও সাধারণ বিষয়
শুধু স্থায়ী ক্যাম্পাস নয়, নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক কাঠামো নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
দেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে ১৪টি। এসব বিশ্ববিদ্যালয় মূলত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ জনশক্তি তৈরির লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও কয়েকটিতে মানবিক, সমাজবিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও কৃষির মতো বিষয় চালু করা হয়েছে।
জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যেমন ব্যবস্থাপনা, সমাজকর্ম ও ভূগোলের মতো বিষয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত সাধারণ বিষয় যুক্ত হলে প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ও স্বাতন্ত্র্য দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব বিশেষায়িত বৈশিষ্ট্য ধরে রেখে দেশ-বিদেশে সুনাম অর্জন করেছে।
প্রশ্ন উঠছে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার যৌক্তিকতা নিয়েও
ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ৬০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি ১১৬টি অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মোট শিক্ষার্থী ৪৫ লাখের বেশি।
জাতীয়, উন্মুক্ত ও ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় বাদ দিলে অন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী প্রায় তিন লাখ। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও শিক্ষার্থী তিন লাখের বেশি।
তারপরও দেশের উচ্চশিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় র্যাঙ্কিংয়েও বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় এখনো বিশ্বের শীর্ষ ৫০০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় জায়গা করে নিতে পারেনি।
এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে—দেশে আরও বিশ্ববিদ্যালয় দরকার কি না, তার চেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে, যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে, সেটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে পরিচালনার প্রস্তুতি আছে কি না।
শিক্ষাবিদদের মতে, একটি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু আইন পাস, উপাচার্য নিয়োগ ও শিক্ষার্থী ভর্তি দিয়ে তৈরি হয় না। প্রয়োজন নিজস্ব ক্যাম্পাস, শ্রেণিকক্ষ, গবেষণাগার, গ্রন্থাগার, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর আবাসন এবং গবেষণার পরিবেশ।
ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেছেন, নিজস্ব ক্যাম্পাস না থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনুমোদন তাঁর দায়িত্ব নেওয়ার আগেই হয়েছে এবং প্রায় সব কটিরই শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। এখন এসব প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত নিয়মকানুনের মধ্যে এনে ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।
তবে শিক্ষাবিদদের প্রশ্ন, জনগণের অর্থে প্রতিষ্ঠিত একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় যদি বছরের পর বছর ভাড়া বাড়ি, মাদ্রাসা কিংবা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অস্থায়ী ভবনে চলে, তাহলে সেটিকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় বলা কতটা যুক্তিসংগত?
উচ্চশিক্ষার জন্য শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ানো নয়—প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়কে মানসম্মত ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।