‘‘গল্পকাররা বিশ্ব শাসন করে’’

নির্ঝর এর ঝরঝরে অনুগল্প ।। ৫২ ।। সমুদা, একদা ‘‘নায়ক” ছিলেন

নির্ঝর এর ঝরঝরে অনুগল্প ।। ৫২ ।। সমুদা, একদা ‘‘নায়ক”  ছিলেন

।। সমুদা, একদা ‘‘নায়ক”  ছিলেন ।। 

সমু চৌধুরী, নব্বই দশকে

উৎসর্গ


যে মানুষটি একদিন পর্দায় অন্যের জীবনের গল্প বলতেন, আজ তাঁর নিজের জীবনের গল্পে একটু মানবিক আলো জ্বালানোর প্রত্যাশায়।

কুষ্টিয়ার একটি মাজারের ভিতরে বসে আছেন একজন মানুষ। পরনে সাধারণ লুঙ্গি। এখন পরনে একটা লাল হাফ গেঞ্জি। কখনো শরীরের উপরের অংশ খোলাও দেখা যায়। এতে তার হাড় জিরজিরে শরীরটা দেখা যায় স্পষ্ট। চোখেমুখে ক্লান্তি। কখনো আপনমনে হাসছেন, কখনো দূরে তাকিয়ে থাকছেন। কখনো কারো সাথে ধমক দিয়ে কথা বলছেন। আবার পরক্ষণেই হেসে হেসে উত্তর দিচ্ছেন। পথচারীদের কেউ তাঁকে চিনতে পারেন, কেউ চিনতে পারেন না। এখনকার সব তরুণরা অবশ্য তাকে চিনতে পারার কারনও নেই। একজন মধ্যম বয়সী মানুষ অনেকক্ষণ লক্ষ্য করার পর এগিয়ে যান। 

—সমুদা না?  আপনি কি টিভি, সিনেমার সেই জনপ্রিয় নায়ক সমু চৌধুরী?

লোকটি মুখ তুলে তাকান। এই  চোখে সেই বিস্ময়, কণ্ঠে আবেগ।

—আপনাকে ছোটবেলা থেকে টেলিভিশনে দেখি। আপনার নাটক, সিনেমা দেখেছি। আমি আপনার দারুণ ভক্ত। আমার নাম সানি চৌধুরী। আপনি এখানে একা বসে আছেন কেন?

সমু চৌধুরী কিছু বলেন না। একবার হাসেন, তারপর আবার অন্যদিকে তাকান।

মাঝবয়সী সমুভক্ত সানীর ভেতরটা কেমন হু হু করে ওঠে। এই মুখ তো তার অপরিচিত নয়! একসময় টেলিভিশনের পর্দায় যাঁকে দেখে মুগ্ধ হতো, আজ তাঁকেই এমন অবস্থায় দেখতে হচ্ছে!

সে বন্ধুকে ফোন করে বলে,
—দোস্ত, আমাদের সময়ের সেই নায়ক সমুদাকে পেয়েছি! একসময় কত জনপ্রিয় অভিনেতা ছিলেন। আজ তাঁর পাশে দাঁড়ানোর মানুষ কোথায়?

বন্ধু প্রশ্ন করে,
—তাঁর সহকর্মীরা কি জানেন না? অভিনয়শিল্পী সংঘ কোথায়?

প্রশ্ন দুটি শুনে সানীর মাথায় ঘুরতে থাকে।

একজন শিল্পী কি কেবল পর্দায় থাকলেই সবার প্রিয়? পর্দার বাইরে বিপন্ন হলে তাঁর খোঁজ নেওয়ার দায়িত্ব কি কারও থাকে না?

সমু চৌধুরীর জীবন তো এমন হওয়ার কথা ছিল না।

১৯৬৪ সালের ৮ জুন যশোরের এক সম্ভ্রান্ত চৌধুরী পরিবারে তাঁর জন্ম। পারিবারিক ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠা সমু পড়াশোনাতেও ছিলেন মনোযোগী। যশোর জিলা স্কুল থেকে ১৯৮১ সালে মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর ঢাকা কলেজে উচ্চমাধ্যমিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৯ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

শিক্ষিত এই তরুণ চাইলে অন্য পেশায় নিজের জীবন গড়তে পারতেন। কিন্তু তাঁর মন পড়ে থাকে অভিনয়ে। মঞ্চনাটক, পথনাটক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন। যশোরের উদীচী থেকে শুরু করে ঢাকার নাট্যাঙ্গন—অভিনয়ের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ক্রমেই গভীর হয়। অভিনয় তাঁর কাছে শুধু জীবিকা নয়, সাধনা।

১৯৯০ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে ‘সমৃদ্ধ অসীম’ নাটকের মাধ্যমে তাঁর অভিনয়যাত্রা শুরু হয়। এরপর ‘জন্মভূমি’, ‘বিবর্ণ প্রজাপতি’, ‘দূরের আকাশ’, ‘কালো জোছনা’, ‘সাতপৌরে কাব্য’, ‘এই সময়ের গল্প’, ‘সোনালী রোদ্দুর’, ‘সবুজের হলুদ ব্যাধি’, ‘এবং আমি’, ‘মা তুরাগ নদী’, ‘উঠোন’, ‘রঙের মানুষ’, ‘নিশিকুটুম্ব’, ‘পৃষ্ঠ’সহ নানা নাটকে অভিনয় করেন। তাঁর অভিনীত কাজের তালিকায় ‘না’, ‘অধিকার’, ‘পিঞ্জিরা’, ‘অনেকেই একা’, ‘পাগল মানুষগুলো’, ‘জিন্দাবাহার’, ‘খানবাড়ি বাড়াবাড়ি’ ও ‘ছন্দ ছাড়া গান’-এর নামও বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া যায়। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে পাঁচ শতাধিক নাটকে কাজ করার কথাও সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে।

বড় পর্দাতেও তিনি রেখেছেন অভিনয়ের ছাপ। ‘আদরের সন্তান’, ‘দোলন চাঁপা’, ‘শত জনমের প্রেম’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘দেশ দরদী’, ‘মরণ নিয়ে খেলা’, ‘প্রেমের নাম বেদনা’, ‘যাবি কই’, ‘সুন্দরী বধূ’, ‘জুম্মন কসাই’, ‘হৃদয় থেকে পাওয়া’ ও ‘নদীর নাম মধুমতী’ তাঁর অভিনীত চলচ্চিত্রের তালিকায় রয়েছে। পরবর্তী সময়ে ‘গলুই’ এবং ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’-এর মতো চলচ্চিত্রেও তাঁর উপস্থিতির কথা জানা যায়। ওটিটি মাধ্যমেও ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’, ‘নয়া নোট’, ‘আকা’, ‘দাগি’, ‘ফ্যাঁকড়া’ ও ‘রঙিলা কিতাব’-এর মতো কাজের সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত হয়েছে।

এ ঘটনার বেশ কয়েকদিন পর ঢাকার একটি চায়ের দোকানে কয়েকজন তরুণ নাটক নিয়ে আলোচনা করছিল। পাশের টেবিলে বসা এক প্রবীণ অভিনেতা সালেহ আহমদ। তাঁদের কথায় যোগ দেন তিনি।

—তোমরা সমু চৌধুরীর বর্তমান অবস্থা নিয়ে কথা বলছ। কিন্তু তাঁর জীবনের পেছনের গল্পটা জানো?

তরুণেরা তাকায়।

—১৯৯৩ সালের ২৬ জুলাই সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর বাবা আবুল কাশেম চৌধুরী ও ছোট বোন রোজিনা চৌধুরী রুবি মারা যান। যশোরের নাভারন থেকে ফেরার পথে ঝিকরগাছা এলাকায় ঘটে দুর্ঘটনাটি। পরে ২০১৮ সালে ছোট ভাই সনু চৌধুরীকেও হারান তিনি।

প্রবীণ অভিনেতা একটু থামেন।

—ভাবো, একের পর এক আপনজনকে হারানোর কষ্ট কতটা গভীর হতে পারে! বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের দায়িত্ব তাঁর কাঁধে এসে পড়ে। মায়ের দেখাশোনার কথা ভেবে বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলেও এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন। নিজের জীবনকে কতটা পরিবারের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন, একবার ভাবো।

এক তরুণ নিচু স্বরে বলে,
—তাহলে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব তো আমাদের আরও বেশি। আপনিও প্রবীন অভিনেতা হিসাবে দাড়াচ্ছেন না কেন?

প্রবীণ অভিনেতা মাথা নাড়েন। আমি বেশ কয়েকজনকে বলেছিলাম। কিন্তু এই লাইনে প্রবীণ হলে কেউ আর অভিনয়ে ডাকে না, কথাটথাও কেউ শোনে না। নিজেই না খেয়ে থাকতে হয়। অভিনয় ছাড়া আর কিছুই শিখিনি জীবনে। কোনমতে বেঁচে আছি বাবা। তবে, সমুর জন্য সত্যি কষ্ট হয়। ওর সাথে চার/পাঁচটি নাটকে আমি অভিনয়ও করেছিলাম গত শতাব্দীতে, মানে ১৯৯৬-৯৯ সালের মধ্যে।

—তরুণটি একটু বিব্রত হয় প্রবীন অভিনেতার কষ্টের কথা শুনে। তারপর নিজেকে সামলে নিয়ে বলে

— সরি আঙ্কেল, মাফ করবেন, সব না বুঝে আপনাকে কষ্ট দিয়ে ফেলেছি বোধহয়। যাই হোক, সমু চৌধুরীর  জন্য বাস্তবে  কী করা হচ্ছে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

সাম্প্রতিক সময়ে সমু চৌধুরীকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা হচ্ছে। কোথাও তাঁকে লালনের আখড়ায়, কোথাও শাহজালালের মাজারে, আবার কোথাও অন্য ধর্মীয় স্থানের আশপাশে দেখা যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে। তাঁকে চিনতে পেরে কেউ কাছে যাচ্ছেন, কেউ খাবার দিচ্ছেন, কেউ বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে খবর পাওয়া যায়।

কিন্তু তাঁর বর্তমান আচরণ দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা রোগের নাম জুড়ে দেওয়া কতটা দায়িত্বশীল কাজ? চিকিৎসকের যথাযথ মূল্যায়ন ছাড়া কারও মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না। তাঁর প্রয়োজন উপহাস নয়, গুজব নয়—প্রয়োজন পেশাদার চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও মানবিক যত্ন।

ঢাকার একটি সংবাদকক্ষে বসে চলচ্চিত্র সাংবাদিক নাবিল রহমান পুরোনো খবর ঘাঁটছিলেন। কম্পিউটারের পর্দায় সমু চৌধুরীর অভিনীত নাটক ও চলচ্চিত্রের নাম। একসময় তিনি সহকর্মীকে বলেন,

—একজন মানুষ কয়েক দশক ধরে দর্শককে আনন্দ দিয়েছেন। আজ তাঁর নিজের জীবন কঠিন হয়ে উঠলে আমরা শুধু ভিডিও দেখে মন্তব্য করব? তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য কেউ এগিয়ে আসবে না? আমি নিজেও তাঁর অনেক বড় ফ্যান ছিলাম। সেই নব্বই দশকে আমি তাঁর সুটিং স্পটে গিয়ে নিউজ কাভার করেছি। তখন তার শিডিউলই পাওয়া যেতো না। আমরা উনাকে সমুদা ডাকতাম। তিনি নাটক, সিনেমার পাশাপাশি মডেলিংও করতেন। খুবই সুদর্শন ছিলেন দেখতে, অনেকটা তরুণ বয়সে তাঁকে নায়ক আফজাল হোসেনের মতো লাগতো। উনিও আমার খুব প্রিয় অভিনেতা। 

সহকর্মী রবিন হায়দার বলেন,
—অভিনয়শিল্পী সংঘ, চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট সংগঠন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়—তাঁরা কি উদ্যোগ নিতে পারেন না?

নাবিলের উত্তর,
—অবশ্যই পারেন। প্রথমে তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। তাঁর সম্মতি ও মর্যাদা বজায় রেখে চিকিৎসকের মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের মূল্যায়ন করাতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা, নিরাপদ পরিবেশ ও নিয়মিত পরিচর্যার ব্যবস্থা করতে হবে। শুধু একবার খোঁজ নিয়ে দায়িত্ব শেষ করলে চলবে না। আসলে আমাদেরকেও কিছু করতে হবে সমুদার জন্য। 

এক তরুণী অভিনেত্রী ইপসিতা শবনমও সঙ্গে একই প্রশ্ন তুলছেন। তিনি তখন নাবিলের অফিসে বসে গল্প করছিলেন। নাবিল তার একটা ইন্টারভিউ করলেন একটু আগে। ইপসিতা চা খেতে খেতে নাবিলকে বললেন,

—নাবিল ভাই, সমুদা তো অনেক দিন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর নাট্য প্রশিক্ষক ছিলেন। ওরাও তো কিছু করতে পারেন। আমরা মঞ্চে দাঁড়িয়ে মানুষের দুঃখ, অধিকার ও ন্যায়বিচারের কথা বলি। অথচ নিজেদের একজন সহকর্মী বিপদে পড়লে তাঁকে নিয়ে আলোচনা করেই দায়িত্ব শেষ করব? শিল্পীদের জন্য স্থায়ী সহায়তাব্যবস্থা থাকা উচিত, যাতে অসুস্থতা বা বিপর্যয়ের সময় কেউ একা হয়ে না পড়েন। শেষ বয়সে দু:স্থ হয়ে পথে ঘাটে হাত পাততে হয় অনেক শিল্পীকে। বেশ কমাস আগে সিনেমার জাদরেল ভিলেন আহমেদ শরীফ আংকেল আমেরিকা থেকে বেড়াতে এসে বললেন, এদেশে থাকলে এখন আমাকে মানুষের কাছে হাত পেতে চলতে হতো। সেজন্যই মা-বাবা আমাকে ইদানিং অভিনয় জগত থেকে পুরাপুরি বেরিয়ে আসতে চাপ দিচ্ছেন। আমি ভাবছি আর চারটে নাটকের শিডিউল শেষ করে এ জগতকে বিদায় জানাবো চিরতরে।

নাবিল ভাবলেন তরুণ অভিনেত্রীর কথাগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সমু চৌধুরী শুধু একটি আলোচিত মুখ নন। তিনি একজন উচ্চ শিক্ষিত মানুষ, একটি অভিজাত জমিদার পরিবারের সন্তান, একজন শিল্পী। তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহল দেখানোর চেয়ে তাঁর সুস্থতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অনেক বেশি জরুরি।

নাবিল রহমান তৎক্ষনাৎ একটি ফিচার লিখলেন, ‘সমুদা, একদা নায়ক ছিলেন’। এর ভিতরে খুব বেশী কিছু লিখলেন না। শুধু লিখলেন—

রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, অভিনয়শিল্পী সংঘ, চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট সংগঠন এবং তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মীদের কাছে তাই আবেদন—তাঁর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ করুন। পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শের ব্যবস্থা করুন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, নিরাপদ আশ্রয় ও নিয়মিত পরিচর্যা নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসুন। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি তাঁর পাশে দাঁড়াতে চাইলে তাঁকেও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সহযোগিতা করা হোক।

একজন শিল্পীকে সাহায্য করা মানে তাঁর স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া নয়; বরং তাঁর সম্মতি, মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষা করে পাশে দাঁড়ানো।

সমু চৌধুরী একসময় পর্দায় অন্য মানুষের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তুলেছেন। তাঁর অভিনয়ে দর্শক হেসেছে, কেঁদেছে, জীবনের নানা রূপ দেখেছে। আজ তাঁর নিজের জীবনেই কঠিন সময়।

প্রশ্ন হলো, তাঁর এই অধ্যায়ে আমরা কী ভূমিকা রাখব? দর্শক হিসেবে শুধু আফসোস করব, নাকি মানুষ হিসেবে দায়িত্ব নেব?

যে মানুষটি একসময় অসংখ্য দর্শকের প্রিয় ছিলেন, আজ তাঁর পাশে দাঁড়ানোর সময় এসেছে।

সমুদা, একদা নায়ক ছিলেন। আজ তাঁর জীবনের এই অধ্যায়ে আমাদের মানবিকতার পরিচয় দেওয়ার পালা।

লন্ডন, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬।