‘ইসলামী জীবনবিধান মোতাবেক নারী শীর্ষ পদে আসতে পারে না‘ : জামায়াতে ইসলামীর নারীবিষয়ক সেক্রেটারি
ঢাকা, ১ ফেব্রুয়ারি: জামায়াতে ইসলামীর নারীবিষয়ক সেক্রেটারি নুরুন্নেছা সিদ্দিকা দলের শীর্ষ নেতৃত্বে নারীদের না থাকার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেন, ‘ইসলামী জীবনবিধান মোতাবেক নারী শীর্ষ পদে আসতে পারে না। প্রধান হওয়া গুরুত্বপূর্ণ নয়, গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নারীর অধিকার রক্ষা হচ্ছে কি না।’
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি দেশের বিগত নারী সরকারপ্রধানদের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থেকেও তারা নারীদের প্রকৃত অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেননি।
নারীদের ওপর হামলার অভিযোগ জানাতে ওইদিন জামায়াতে ইসলামীর মহিলা উইং নির্বাচন কমিশনে উপস্থিত হয়। প্রতিনিধি দলটি জানায়, ভোটের প্রচারণা চালাতে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে তাদের নারী কর্মীরা বাধা ও হামলার মুখে পড়ছেন।
এ বিষয়ে জামায়াতের পলিটিক্যাল এ্যাফেয়ার্স প্রধান হাবিবা আখতার চৌধুরী বলেন, এই প্রথম মহিলা উইং থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানো হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ভোটের মাঠে মা-বোনদের ওপর ধারাবাহিকভাবে হামলা হচ্ছে এবং নারীদের রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র চলছে।
তিনি বলেন, ‘জামায়াতে ৪৩ শতাংশ মহিলা নেতৃত্ব আছে। জামায়াত নারীদের সম্মান করে। কিছু মহল নারীদের জামায়াতে থাকাটা পছন্দ করছে না। এ কারণেই তারা হামলা করছে। দেশের অর্ধেক ভোটার নারীদের বিভ্রান্ত করতেই নারী কর্মীদের ওপর এই হামলা। দলের শীর্ষ নেতৃত্বে নারী আছে জামায়াতে।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রতিনিধি দলের অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার আশ্বাস দেন।