কুমিরের পিঠে চড়ে ’সাধু বাবুর’ বাংলা জয়!
।। দেওয়ান ফয়সল ।।
একটি মেটিকুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে ড. ইউনুস বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত জামায়াতে ইসলামী ও তাদের অঙ্গ সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবির এবং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ-জামানকে সাথে নিয়ে ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট এক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করেন। তিনি কয়েকটি নির্দিষ্ট দলের সমর্থকদের সমন্বয়ে ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে একটি অন্তর্বর্তিকালীন সরকার গঠন করেন। এই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন ড. মোহাম্মদ ইউনুস।
তিনি ক্ষমতা দখলের পরপরই জামায়াত গংদের নিয়ে দেশ চালানোর শুরুতেই বন্ধ হয়ে যায় ৩২৭টি বিভিন্ন ধরনের কারখানা, যার ফলে দেড় লক্ষাধিক শ্রমিক কাজ হারায়। দেশের রাজস্ব ঘাটতি নেমে যায় একেবারে নিম্নতম রেকর্ড পরিমাণে, ব্যবসায়ীরা অবহেলা ও হয়রানিমূলক মামলার শিকার হয়। কয়েকটি গোপন বাণিজ্যচুক্তিতে সই করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে আমেরিকার গোলাম রাজ্যে পরিণত করা হয়। এই বাণিজ্য চুক্তিগুলো জামায়াত এবং বিএনপি’র সম্মতিতেই হয়েছে বলে জানা গেছে।
এই বাণিজ্যচুক্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে:
(১) যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কিনতে হবে।
(২) ১৫ বছরে ১৫ হাজার কোটি ডলারের তেল কিনতে হবে।
(৩) প্রতি বছর ৩৫০ কোটি ডলারের বেশি পণ্য কিনতে হবে।
(৪) সামরিক সরঞ্জামাদি কিনতে হবে, অন্য দেশ থেকে কেনা যাবে না।
(৫) যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে কোটা আরোপ করা যাবে না এবং তাদের পণ্য কিনতে বাধা থাকা যাবে না; যদি কোনো পণ্য অন্য দেশ থেকে কিনতে হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে অনুমতি নিতে হবে।
(৬) বাংলাদেশের পণ্যের (সাবসিডি) ভর্তুকি আরোপ করা যাবে না।
(৭) যুক্তরাষ্ট্রের কোনো পণ্যের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন
তোলা যাবে না।
(৮) যুক্তরাষ্ট্রের যে বিধিনিষেধ আছে, সেটা মেনে চলতে হবে।
শুধু তাই নয়, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চূড়ান্ত অবনতির দিকে ধাবিত হয়। জিনিসপত্রের দাম অসহনীয়ভাবে বেড়ে যাওয়ার ফলে দেশের জনগণ ভেতরে ভেতরে ইউনুস-জামায়াত সরকারের বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে। ড. ইউনুস ও জামায়াত গংদের ১৭ মাসের দেশ শাসনের তিক্ত অভিজ্ঞতায় অতিষ্ঠ হয়ে, দেশবাসী
তখন নির্বাচনের মাধ্যমে একটি স্থিতিশীল সরকার গঠনের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করে। উপায়ান্তর না দেখে, অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান ড. ইউনুস বিএনপি, জামায়াতসহ তাদের অঙ্গ সংগঠনগুলোর সাথে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে চলতি বছরের ১২ই ফেব্রুয়ারি
নির্বাচনের তারিখ ঠিক করলেন।

নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। জামায়াত নেতা ডাক্তার শফিকুর রহমান বললেন, নির্বাচনের ফলাফল যা-ই আসুক, আমরা জনগণের রায় মেনে নেবো। জামায়াত, এনসিপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর দেখা গেল, নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে শুরু হয়ে গেছে তুমুল লঙ্কাকাণ্ড! জামায়াত-এনসিপি বলছে,নির্বাচনে বিএনপি ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে, নতুবা আমরা বিপুল ভোটে বিজয়ী হতাম। তাদের দাবি ছিল, নির্বাচন চলাকালীন সময়ে জামায়াত প্রার্থীরা দেশের বিভিন্ন সেন্টারগুলোতে এগিয়ে ছিলেন। ভোট গণনা শুরু হলে দেখা যায়, শুধু বিএনপি’র জয়গান। শেষ পর্যন্ত বিএনপি’ই সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে। নির্বাচনের আগে জামায়াত-বিএনপি’র মধ্যে যে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ছিল, তা আর টেকেনি। এখন জামায়াত-বিএনপি সম্পর্ক ‘সাপে-নেউলে’।
নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পূর্বে আমি লিখেছিলাম আমার কলামে, ড. ইউনুসের মেটিকুলাস প্ল্যান অনুযায়ী এই নির্বাচনে জামায়াতকে জয়ী হতে দেবেন না। এই সিদ্ধান্তটি মূলত ড. ইউনুস জামায়াতের সাথে নির্বাচনের আগেই ঠিক করে রেখেছেন। আমেরিকার ডিপ স্টেটের নির্দেশেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এখন লোক দেখানোর জন্য জামায়াত বিএনপি’র বিরোধিতা করছে। ড. ইউনুসের মেটিকুলাস ডিজাইন অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপিকে জনগণের কাছে ভাবমূর্তি একেবারে বিনষ্ট করে এই দলকে চিরতরে রাজনীতির মঞ্চ থেকে সরিয়ে ফেলার একটি বড় পায়তারা। ড. ইউনুস ভালো করেই জানেন, দেশের এই অস্থিতিশীল পরিবেশ বেশিদিন সামাল দেওয়ার মতো সক্ষমতা বিএনপি’র মধ্যে কোনো রাজনীতিবিদ নেই। দেশে এরকম অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হবে, তখন জনগণই সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষেপে উঠবে। দেশে শুরু হবে রাজনৈতিক যুদ্ধ জামায়াত গং বনাম বিএনপি। এই
রাজনৈতিক যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে বলে অভিজ্ঞ মহলের ধারণা। সংসদে চললো উভয় পক্ষের মধ্যে প্রচণ্ড বাকবিতণ্ডা। একে অন্যের প্রতি এমনভাবে আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করছেন, তা দেখলে মনে হয়, এ যেন জাতীয় সংসদ নয়, বরং একটি সভামঞ্চ।
হাতাহাতি থেকে শুরু করে গালিগালাজ হরদম চলছে। এই পরিস্থিতি যখন শুরু হয়ে গেছে, তখন বাইরেও এর প্রভাব পড়বে। ধীরে ধীরে যদি সংসদের বাইরে এই অবস্থা ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে একটি গৃহযুদ্ধের রূপ নিলে বিস্ময় হওয়ার কিছু নেই। যদি রক্তঝরা শুরু হয়ে যায়, তখন বাধ্য হয়েই মধ্যবর্তী নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। মধ্যবর্তী নির্বাচন হলে ড. ইউনুসের
অঙ্কের হিসেবে বিএনপি নির্বাচনে হারবে এবং জামায়াতই ক্ষমতায় বসবে। তাহলে ড. ইউনুস সাহেবের মেটিকুলাস ডিজাইনের দ্বিতীয় পর্বের পরিপূর্ণতা লাভ করবে।
বর্তমানে বাস্তবে তা-ই দেখা যাচ্ছে। বিএনপি’র কাছে
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল, তারা একটি দায়িত্বশীল
রাজনৈতিক দল হিসেবে দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিবেচনায় কোনো ধরনের প্ররোচিত, বিতর্কিত ইউনুসের করে যাওয়া অবৈধ অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করার পথে হাঁটবে না; কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, তারা সে পথেই হাঁটছে। দেশে চলছে এক ভয়াবহ অবস্থা। এই ভয়াবহ অবস্থার কিছু বর্ণনা আমার একজন বন্ধু সিদ্দিকুর রহমান নির্ঝর (সম্পাদক, কলামিস্ট) লন্ডন থেকে প্রকাশিত তাঁর ‘ভয়েস অব পিপল’ অনলাইনে যে লেখাটি ছাপিয়েছেন, তার হুবহু তুলে ধরলাম আমার পাঠকদের বোঝার সুবিধার্থে।
ধারাবাহিক ‘কলিকালের কলধ্বনি কলামের একটির হেডলাইন হচ্ছে, ‘‘সরকারের বয়স ষাট: জনগণের অবস্থা টাইট’’
১৭ই এপ্রিল বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের দুই মাস অর্থাৎ ষাট দিন অতিক্রান্ত হলো। ক্ষমতায় আসার প্রথম কয়েক মাস—যে সময়টাকে বলা ‘হানিমুন পিরিয়ড’, সেই সময়েই যদি সরকারকে এতগুলো সংকটের মুখোমুখি হতে হয়, তাহলে সামনের পথ যে মসৃণ নয়, তা বলাই বাহুল্য। বর্তমানে বাস্তবতা এমন এক জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে সরকারের বয়স যতই বাড়ছে, জনগণের জীবন ততই সংকুচিত হয়ে ‘টাইট’ হয়ে উঠছে।
প্রধানমন্ত্রী হয়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর তারেক রহমান শুরুটা করেছিলেন আশাজাগানিয়া কিছু উদ্যোগ দিয়ে—ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল কাটা কর্মসূচি, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি—এসব পদক্ষেপ জনমনে একটি
ইতিবাচক বার্তা দিয়েছিল। এমনকি ব্যক্তিগত আচরণেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত—প্রোটোকল কমানো, ট্রাফিক আইন মেনে চলা, ভিআইপি’দের জন্য গাড়িবহর সীমিত করা—এসবই ছিল রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক নতুন দৃষ্টান্ত।
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, রাজনীতিতে প্রতীকী পরিবর্তন যতটা গুরুত্বপূর্ণ, বাস্তব জীবনের সংকট মোকাবিলা তার চেয়েও অনেক বেশি জরুরি। আর সেই জায়গাতেই যেন বড় ধরনের ফাঁক তৈরি হয়েছে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ‘হামে’ আক্রান্ত
হয়ে মারা যাচ্ছে অসংখ্য শিশু—এটিও একটি বড় ইস্যু। চাঁদাবাজদের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ জনগণ। আবার বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায় বিষিয়ে উঠছে জনগণের মন। রাস্তায় বেরুলেই ছিনতাই, লুণ্ঠন। ঘরে
জ্বলছে ইলেকট্রিকের বদলে লণ্ঠন। এভাবে বাঁচা যায় কতদিন?
এদিকে ২৮ এপ্রিল ২০২৬ সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, নতুন সরকারের আড়াই মাসে ৪৬৪ হত্যা এবং ৬৬৬টি ধর্ষণ মামলা হয়েছে। এ অবস্থায় সরকার শোনাচ্ছেন আশার বাণী, কিন্তু জনগণের কাছে
লাগছে সবই ‘ফানি’।
সবচেয়ে বড় সংকট এখন জ্বালানি খাতে। সরকার বলছে মজুত আছে, সংকট নেই। বাস্তবতা বলছে, পেট্রল পাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন, তেল না পেয়ে ফিরে যায় মানুষ, পরিবহন খাতে অচলাবস্থা। এই ‘দাবি বনাম বাস্তবতা’-র দ্বন্দ্বই আজ জনগণের ক্ষোভের মূল উৎস। এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডারে এক লাফে ২১২ টাকা দাম বাড়ল। যেখানে এক ফিলিং স্টেশন থেকে সহজে তেল পাওয়া যেত, সেখানে এখন পাঁচ-
ছয়টি ফিলিং স্টেশন ঘুরেও প্রয়োজন মেটে না। এটি শুধু ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা নয়, এটি নীতিনির্ধারণের দুর্বলতারও প্রমাণ। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে পরিবহন খাতে, আর তার ঢেউ গিয়ে লাগছে
বাজারে—নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে।
লোডশেডিং পরিস্থিতিও একই রকম উদ্বেগজনক। রাজধানীর বাইরে গ্রাম ও মফস্বলে দিনে ১০–১৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। এটি কেবল অব্যবস্থাপনার জন্য নয়, বরং পরিকল্পনার অভাবের প্রতিফলন। এর সঙ্গে যুক্ত
হয়েছে বাজার অস্থিরতা। চাল, তেল, মুরগি সহ প্রায় সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম প্রতিনিয়তই বাড়ছে, আর সেই বাড়তি খরচ গুণতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছে কৃষক। বোরো মৌসুমে ডিজেল না পেলে সেচ বন্ধ হয়ে যায়, আর সেচ বন্ধ মানেই ফসল ফলানো সম্ভব নয়।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, সরকারের সাফল্যের তালিকা যতই দীর্ঘ হোক, জনগণের বাস্তব অভিজ্ঞতা যদি ভিন্ন হয়, তাহলে সেই সাফল্য রাজনৈতিকভাবে টেকসই হয় না।
রাজনৈতিক দিক থেকেও সরকার চ্যালেঞ্জের মুখে। প্রশাসনে সমন্বয়হীনতা, দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে নিয়োগ, নেতাকর্মীদের বেপরোয়া আচরণ—এসব বিষয় সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগগুলোকে ম্লান করে দিচ্ছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক হলো সহনশীলতার ঘাটতি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মতপ্রকাশের কারণে গ্রেপ্তার, বিরোধীদের প্রতি আক্রমণাত্মক আচরণ—এসব জনগণের মনে পুরোনো শাসনব্যবস্থার ভয়কে আবারও উস্কে দিচ্ছে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, সরকারের ক্রমশ ‘বন্ধুহীন’ হয়ে পড়া। যে বুদ্ধিজীবী ও বিশ্লেষকরা এক সময় সমর্থন দিয়েছেন, তাদের অনেকেই এখন সমালোচনায় মুখর। এটি কোনো ষড়যন্ত্রের ফল নয়, বরং বাস্তবতার প্রতিফলন। কারণ রাজনৈতিক সমর্থন কখনো স্থায়ী নয়; তা অর্জন করতে হয়, ধরে রাখতে হয় কাজের মাধ্যমে।
সব মিলিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি একটি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—
“সরকারের বয়স যতই বাড়ুক, যদি সংকট ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা না বাড়ে, তাহলে জনজীবন ততই সংকুচিত হবে।”
এখন প্রশ্ন একটাই—সরকার কি বাস্তবতা স্বীকার করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে, নাকি সাফল্যের বর্ণনায় ডুবে থেকে সংকটকে আরও জটিল করে তুলবে? ড. ইউনুসের দ্বিতীয় ধাপের মেটিকুলাস প্ল্যান বাস্তবায়ন করবে?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে মনে রাখতে হবে—
‘সাধু বাবু’ সেজে রাষ্ট্র পরিচালনা করা সম্ভব নয়। রাষ্ট্র পরিচালনা দক্ষতার সাথে করতে হলে সাহস নিয়ে, শক্ত হাতে হাল ধরতে হবে। মনে রাখতে হবে, আপনি ১৭ কোটি মানুষের অভিভাবক। এখনও সময় আছে,
‘সাধু বাবু’র অভিনয় ছেড়ে দিয়ে দেশের সংকট নিরসনে কিভাবে কাজ করবেন, চিন্তা-ভাবনা করে এগিয়ে যান। অন্যথায়, কুমিরের হাতে বিএনপি’র সলিল সমাধি ঘটলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। রাজনীতির ইতিহাস তা-ই বলে।
দেওয়ান ফয়সল
সাংবাদিক, কলামিস্ট, লেখক
ওয়েলস, ২ মে, ২০২৬