সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার জালে প্রথম আঘাত, গর্ডনের গোলে এগিয়ে ইংল্যান্ড
স্পোর্টস ডেস্ক | ডেইলি ভয়েস অব পিপল
বিশ্বকাপের বহুল প্রতীক্ষিত সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে প্রথম গোল করে ফাইনালের স্বপ্ন আরও উজ্জ্বল করেছে ইংল্যান্ড। ইতালির আটালান্টায় অনুষ্ঠিত উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধের ৫৭ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের দারুণ ভলিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় থমাস টুখেলের দল।
গোলের সূচনা করেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। মাঝমাঠ থেকে তাঁর নিখুঁত লম্বা পাস ডান প্রান্তে পৌঁছে যায় মরগান রজার্সের কাছে। রজার্স গতিময় দৌড়ে বক্সের ভেতরে নিখুঁত ক্রস তুলে দেন। আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নাহুয়েল মোলিনাকে ফাঁকি দিয়ে পেছন দিক থেকে উঠে এসে গর্ডন এক স্পর্শেই বল জড়িয়ে দেন জালে।
গোলের পর ইংল্যান্ডের সমর্থকদের উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে স্টেডিয়াম। গ্যালারিতে উপস্থিত সাবেক ফুটবল তারকা ডেভিড বেকহাম ও তাঁর স্ত্রী ভিক্টোরিয়া বেকহামকেও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়।
তবে পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির নেতৃত্বে তারা দ্রুত আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায়। ৬৯ মিনিটে মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে গনসালেসের শক্তিশালী হেড এক হাতে অসাধারণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন ইংল্যান্ড গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। সেই সেভ ইংল্যান্ডের লিড ধরে রাখতে বড় ভূমিকা রাখে।
এর আগে এনজো ফার্নান্দেজের দূরপাল্লার শট বারের ওপর দিয়ে চলে যায়। অন্যদিকে ইংল্যান্ডও ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল। কেইনের পাস থেকে ডেকলান রাইস শট নিলেও তা সহজেই আটকান আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই শারীরিক ফুটবল খেলায় জড়িয়ে পড়ে। বেশ কয়েকটি কঠোর ট্যাকল ও উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তে রেফারিকে একাধিকবার হস্তক্ষেপ করতে হয়। ফলে ম্যাচটি ক্রমেই স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে রূপ নেয়।
নির্ধারিত সময়ের শেষভাগে আর্জেন্টিনা সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালালেও ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ দৃঢ়তা দেখায়। ম্যাচের শেষ অংশে উত্তেজনা চরমে ওঠে, কারণ একটি গোলই নির্ধারণ করতে পারে কে উঠবে বিশ্বকাপের ফাইনালে।
পূর্ববর্তী সংবাদ