কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়েকে হারিয়ে শেষ চারে ওঠা ইংল্যান্ড এবার বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে সামনে পেয়েছে। ম্যাচের আগে টুখেল বলেন, বিশ্বকাপ জিততে হলে এমন কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়েই যেতে হবে। তাঁর মতে, আর্জেন্টিনাকে হারাতে হলে শুধু একজন খেলোয়াড়কে নয়, পুরো দলকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
বিশেষ করে লিওনেল মেসিকে ঠেকাতে আলাদা কৌশলের ইঙ্গিত দেন ইংলিশ কোচ। তিনি বলেন, মেসির কাছে বল পৌঁছানো বন্ধ করা, তাঁর দৌড় ও গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা এবং রক্ষণ ও আক্রমণে সমন্বিত পারফরম্যান্স দেখানোই হবে দলের লক্ষ্য।
ইংল্যান্ডের শুরুর একাদশে রয়েছেন গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। রক্ষণে রয়েছেন রিস জেমস, জন স্টোনস, মার্ক গেহি ও জেড স্পেন্স। মাঝমাঠে ডেকলান রাইস ও এলিয়ট অ্যান্ডারসনের সঙ্গে খেলবেন জুড বেলিংহ্যাম। আক্রমণভাগে মর্গান রজার্স, অ্যান্থনি গর্ডন এবং অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
অন্যদিকে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি কোয়ার্টার ফাইনালের তুলনায় মাত্র একটি পরিবর্তন করেছেন। রদ্রিগো ডি পলের বদলে প্রথম একাদশে ফিরেছেন জুলিয়ানো সিমিওনে। দলে আছেন লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ, এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও এমিলিয়ানো মার্টিনেজের মতো তারকারা।
ম্যাচটিকে ঘিরে ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহও তৈরি হয়েছে। ফকল্যান্ড ইস্যুর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের ফুটবল বৈরিতার কারণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবে দুই দেশের কর্মকর্তারাই সমর্থকদের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
ইংল্যান্ড ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে। অন্যদিকে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয় শিরোপার পথে আরেকটি বড় বাধা পেরোতে মাঠে নেমেছে। ফলে আটলান্টার এই সেমিফাইনালকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে।