জুলাই যোদ্ধার পরিবারে আশার আলো: কামালউদ্দীনের নেতৃত্বে এগিয়ে এলো জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন
ভয়েস অব পিপল লন্ডন, ৩১ জানুয়ারি: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রায়েরবাগ ওভারব্রিজের ওপর খালি গায়ে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে ওঠা ছাত্রদল কর্মী মুত্তাকিনের অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন। মানবিকতার এই উদ্যোগের নেতৃত্বে রয়েছেন ফাউন্ডেশনটির ইউরোপ সমন্বয়ক কামালউদ্দীন, যিনি শুরু থেকে বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদারকি করে পরিবারের চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, মুত্তাকিনের বাবা পেশায় একজন ভ্যানচালক। সম্প্রতি তিনি গুরুতর হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন। চিকিৎসকদের পরীক্ষায় তার হৃদ্যন্ত্রে তিনটি ব্লক ধরা পড়লে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তার হৃদ্যন্ত্রে তিনটি রিং (স্টেন্ট) বসানো হয়। তবে নিম্নআয়ের এই পরিবারের পক্ষে ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
এমন সংকটময় মুহূর্তে এগিয়ে আসে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন। সংগঠনটির ইউরোপ সমন্বয়ক কামালউদ্দীন ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নিয়ে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মুত্তাকিনের বাবার চিকিৎসার অধিকাংশ ব্যয়ভার বহনের ব্যবস্থা করেন।
এ প্রসঙ্গে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার কৃতিসন্তান বিলাত প্রবাসী মো: কামালউদ্দীন বলেন,
“প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন নীরবে-নিভৃতে অসংখ্য অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আসছে। সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে জুলাই যোদ্ধা মুত্তাকিনের বাবার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে আমরা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সাধ্যমতো সহায়তার চেষ্টা করেছি। তারেক রহমান নিজে এই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে মানবিক কার্যক্রমের দিকনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন।”
তিনি আরও বলেন, করোনা মহামারীসহ দেশের বিভিন্ন সংকটময় সময়ে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন মানুষের কল্যাণে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়রা ও মুত্তাকিনের পরিবার কামালউদ্দীন এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এই সহায়তা না পেলে হয়তো চিকিৎসা করানোই সম্ভব হতো না। মানবিকতার এই দৃষ্টান্ত সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেবে বলে তারা মনে করেন।
মানবিক সহানুভূতি, দায়িত্ববোধ ও নেতৃত্বগুণের মাধ্যমে কামালউদ্দীন আবারও প্রমাণ করলেন—দূরে থেকেও দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব, যদি থাকে আন্তরিকতা ও সদিচ্ছা।