মৌলভীবাজারের কাবিদ রহমান পন্টিপ্রিড শহরের মেয়র নির্বাচিত
কমিউনিটি ডেস্ক: যুক্তরাজ্যের সাউথ ওয়েলসের ঐতিহ্যবাহী ও বহুসাংস্কৃতিক শহর পন্টিপ্রিডে নতুন মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার আমিনুর রহমান কাবিদ। ২০২৬–২০২৭ মেয়াদের জন্য টাউন কাউন্সিলের বার্ষিক সভায় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মেয়র নির্বাচিত করা হয়।
এর আগে তিনি ২০২৫–২০২৬ মেয়াদে ডেপুটি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় ধারাবাহিকভাবে তার এই অগ্রযাত্রা পন্টিপ্রিডের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
কাবিদের এই অর্জনে যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত মৌলভীবাজারবাসী এবং গ্রেটার সিলেট কমিউনিটির মধ্যে আনন্দ ও গর্বের আবহ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও প্রবাসী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
মৌলভীবাজার ডিস্ট্রিক্ট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন অব ওয়ার্ল্ড ওয়াইডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মকিস মনসুরসহ সংগঠনের নেতারা এক বিবৃতিতে কাবিদকে অভিনন্দন জানিয়ে তার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং সফল দায়িত্বকাল কামনা করেন।
মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় আমিনুর রহমান কাবিদ বলেন, তার মেয়াদকালের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হবে পন্টিপ্রিড মেন’স শেড চ্যারিটির জন্য তহবিল সংগ্রহ করা। তিনি শহরের নাগরিক কল্যাণ, সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
দীর্ঘদিন ধরে লেবার পার্টির পন্টিপ্রিড সাউথ ইস্ট ব্রাঞ্চের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন কাবিদ। পাশাপাশি তিনি স্থানীয় বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও যুক্ত। স্কুল গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পন্টিপ্রিড ফুড ব্যাংক, রয়্যাল ব্রিটিশ লিজিয়ন পন্টিপ্রিড, স্থানীয় ফুটবল ক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক ও কমিউনিটি সংগঠনে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন তিনি।
মৌলভীবাজার জেলার সদর উপজেলার বাহারমর্দান গ্রামের প্রয়াত ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আব্দুর রহমান ছুরুক মিয়ার সন্তান কাবিদ বাংলাদেশে থাকাকালীন মৌলভীবাজার কলেজ ছাত্রলীগে নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পারিবারিক ব্যবসা পরিচালনার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি তিনি নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ছিলেন।
প্রবাসে এসে তিনি নিজেকে একজন নিবেদিতপ্রাণ কমিউনিটি সংগঠক ও ব্রিটিশ স্থানীয় রাজনীতির সক্রিয় কর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। দীর্ঘদিন ধরে ট্রিফরেস্ট ওয়ার্ডে স্থানীয় কাউন্সিলর হিসেবে নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে আসছেন তিনি।