ভয়েস অব পিপল ।। জনগণের কণ্ঠস্বর, বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি

হোয়াইটচ্যাপেলে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান, সহায়তা পেলেন ২৪ জন

হোয়াইটচ্যাপেলে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান, সহায়তা পেলেন ২৪ জন

কমিউনিটি ডেস্ক, ২৯ আগস্ট:

পূর্ব লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেলে মাদককে ঘিরে অসামাজিক আচরণ ও জননিরাপত্তার সমস্যা মোকাবিলায় যৌথ অভিযান চালিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও বিভিন্ন সহায়তা সংস্থা।

১৯ আগস্ট দিনব্যাপী এই বিশেষ অভিযানে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মাদকাসক্ত বা ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। অভিযানে মেট্রোপলিটন পুলিশ, ড্রাগ স্কোয়াড, ASB টিম, ইন্টেলিজেন্স টিম, CCTV টিম এবং SSMIT-এর কর্মীরা সমন্বিতভাবে কাজ করেন।

অভিযানের সময় মোট ২৪ জনের সঙ্গে সরাসরি ওয়ান-টু-ওয়ান কথা বলেন সংশ্লিষ্ট কর্মীরা। তাদের মাদক ব্যবহারজনিত ঝুঁকি কমানো, স্বাস্থ্য ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দুইটি মূল্যায়ন সম্পন্ন করা হয় এবং তিনজন ব্যক্তি SSMIT-এর পরবর্তী ফলো-আপ অ্যাপয়েন্টমেন্টে অংশ নিতে সম্মতি দেন।

অভিযান পরিদর্শন করেন টাওয়ার হ্যামলেটসের নির্বাহী মেয়র লুৎফুর রহমান এবং কমিউনিটি সেফটি বিষয়ক ক্যাবিনেট মেম্বার কাউন্সিলর কবির আহমেদ। তারা কমিউনিটি সেফটি বাসে গিয়ে মাদক ও অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থের অপব্যবহার মোকাবিলায় কাজ করা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য চালু থাকা সহায়তা কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ নেন।

স্থানীয় প্রশাসনের বার্তা হলো—মাদকজনিত অসামাজিক আচরণ বন্ধ করতে শুধু পুলিশি অভিযানই যথেষ্ট নয়। একই সঙ্গে যারা মাদক ব্যবহারের কারণে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন, তাদের চিকিৎসা, পরামর্শ ও পুনরুদ্ধারের সুযোগ তৈরি করাও জরুরি।

মেয়র লুৎফুর রহমান বলেন, কমিউনিটিকে নিরাপদ রাখতে প্রশাসন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তবে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করাও এই ধরনের অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

হোয়াইটচ্যাপেলের মতো ব্যস্ত এলাকায় মাদককে ঘিরে অসামাজিক আচরণ স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের জন্য দীর্ঘদিনের উদ্বেগের বিষয়। ফলে পুলিশের পাশাপাশি কাউন্সিল ও সহায়তা সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগকে স্থানীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভয়েস অব পিপল-এর পর্যবেক্ষণ:
মাদক সমস্যা কেবল আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়; এর সঙ্গে স্বাস্থ্য, পরিবার, মানসিক সুস্থতা, আবাসন ও সামাজিক পুনর্বাসনের প্রশ্নও জড়িত। তাই অভিযান যেমন প্রয়োজন, তেমনি মাদক ব্যবহারকারীদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের পথেও যুক্ত করা জরুরি। হোয়াইটচ্যাপেলের এই যৌথ উদ্যোগ সেই দুই দিককে একই সঙ্গে সামনে এনেছে।