ভয়েস অব পিপল ।। জনগণের কণ্ঠস্বর, বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি

ঈদে মিলাদুন্নবী: নবীজি (সা:) এর প্রতি ভালোবাসা, নাকি শরিয়তে নির্ধারিত উৎসব?

ঈদে মিলাদুন্নবী: নবীজি (সা:) এর প্রতি ভালোবাসা, নাকি শরিয়তে নির্ধারিত উৎসব?

ধর্ম ডেস্ক, ভয়েস অব পিপল, ১৪ আগস্ট:

রবিউল আউয়াল এলেই মুসলিম সমাজে একটি প্রশ্ন আবার সামনে আসে—ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করা কি ইসলামের অংশ, নাকি এটি পরবর্তী যুগে তৈরি হওয়া একটি ধর্মীয় প্রথা?

কেউ বলেন, এটি নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিন। কেউ বলেন, নবী (সা.), সাহাবা ও প্রথম যুগের মুসলমানরা যেহেতু এমন কোনো বার্ষিক অনুষ্ঠান করেননি, তাই এটিকে ধর্মীয় উৎসব বানানো শরিয়তসম্মত নয়।

দুই পক্ষের কথাই শুনতে হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত একজন সাধারণ মুসলমান জানতে চান—তাহলে তিনি কী করবেন?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে আবেগ নয়, কোরআন, সহিহ হাদিস এবং ইসলামের ইতিহাস—তিনটিকেই সামনে রাখতে হবে।

প্রথম প্রশ্ন: নবীজির জন্মদিন কি স্মরণ করা হয়েছিল?

সহিহ মুসলিমে আবু কাতাদা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.)-কে সোমবার রোজা রাখার কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “এ দিন আমি জন্মগ্রহণ করেছি এবং এ দিনই আমার ওপর ওহি নাজিল হয়েছে।” —সহিহ মুসলিম, ১১৬২।

অর্থাৎ নবী (সা.) তাঁর জন্মের সঙ্গে সোমবারের সম্পর্ক স্বীকার করেছেন এবং সেই দিন রোজা রেখেছেন।

কিন্তু লক্ষ্য করার বিষয় হলো—তিনি জন্মদিন উপলক্ষে কোনো বার্ষিক উৎসবের আয়োজন করেননি। সাহাবাদেরও প্রতিবছর তাঁর জন্ম উপলক্ষে মাহফিল, শোভাযাত্রা কিংবা বিশেষ উৎসব পালনের কোনো সহিহ বর্ণনা পাওয়া যায় না।

এখানেই মিলাদ নিয়ে বিতর্কের মূল জায়গা।

‘মাওলিদ’ তাহলে এল কোথা থেকে?

ঐতিহাসিক গবেষণায় দেখা যায়, মহানবী (সা.)-এর জন্মস্মরণ তাঁর ইন্তেকালের বহু শতাব্দী পর প্রাতিষ্ঠানিক ও আনুষ্ঠানিক রূপ পেতে শুরু করে।

ফাতিমীয় আমলে মিসরে নবী (সা.)-এর জন্ম উপলক্ষে রাজদরবারকেন্দ্রিক অনুষ্ঠানের ঐতিহাসিক উল্লেখ পাওয়া যায়। পরে ১২০৭ খ্রিস্টাব্দে ইরবিলে মুযাফফরুদ্দীন গোকবোরি বা কুকুবুরীর পৃষ্ঠপোষকতায় বড় আকারের জনসম্মুখের মাওলিদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ঐতিহাসিক সূত্রগুলোতে তাঁর আয়োজনকে পরবর্তী যুগে মাওলিদ উৎসবের বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাই ‘মিলাদ একেবারে কুকুবুরীর আবিষ্কার’ বলা ইতিহাসকে অতিরিক্ত সরল করে ফেলা হবে। তবে এটাও সত্য যে নবী (সা.) ও সাহাবাদের যুগের বহু পরে এটি একটি বড় আকারের আনুষ্ঠানিক ধর্মীয়-সামাজিক আয়োজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

অর্থাৎ মিলাদের বর্তমান প্রচলিত রূপটি নবী (সা.)-এর যুগের আমল নয়—এটি পরবর্তী মুসলিম সমাজের ঐতিহাসিক বিকাশ।

তাহলে এটিকে ‘বিদআত’ বলা হয় কেন?

এখানে বিরোধী আলেমদের প্রধান দলিল হলো আয়েশা (রা.)-এর বর্ণিত সহিহ হাদিস:

“যে ব্যক্তি আমাদের এই বিষয়ে এমন কিছু নতুন সৃষ্টি করল, যা এর অন্তর্ভুক্ত নয়, তা প্রত্যাখ্যাত।”

—সহিহ মুসলিম, ১৭১৮।

আরেকটি হাদিসে নবী (সা.) নতুন উদ্ভাবিত ধর্মীয় বিষয় থেকে সতর্ক করেছেন।

এই দলিলের ভিত্তিতে একদল আলেমের বক্তব্য হলো—ইবাদত ও ধর্মীয় উৎসব নিজের ইচ্ছায় নির্ধারণ করার বিষয় নয়। নবী (সা.) যদি তাঁর জন্ম উপলক্ষে বার্ষিক কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠান নির্ধারণ না করে থাকেন এবং সাহাবারাও তা না করে থাকেন, তাহলে পরবর্তী সময়ে সেটিকে ‘ধর্মীয় উৎসব’ বানানো ঠিক নয়।

এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ১২ রবিউল আউয়ালকে বিশেষ ধর্মীয় উৎসব হিসেবে নির্ধারণ করে মিলাদ পালন করা সুন্নাহ নয়

কিন্তু অন্য আলেমরা কেন মিলাদকে বৈধ বলেছেন?

এখানে বিষয়টি আরও সূক্ষ্ম।

ইসলামের ইতিহাসে এমন বহু সুন্নি আলেম ছিলেন, যারা মাওলিদকে সরাসরি হারাম বলেননি। তাঁদের যুক্তি ছিল—যদি কোনো অনুষ্ঠানে কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ, নবীজির সীরাত আলোচনা, দোয়া, দান-সদকা এবং তাঁর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করা হয় এবং সেখানে শরিয়তবিরোধী কোনো কাজ না থাকে, তাহলে সেটিকে একটি বৈধ সমাবেশ হিসেবে দেখা যেতে পারে।

ঐতিহাসিক গবেষণাতেও মাওলিদ নিয়ে দীর্ঘদিনের এই ফিকহি বিতর্কের উল্লেখ রয়েছে; এমনকি পরবর্তী যুগের কিছু সুন্নি আলেম এটিকে শর্তসাপেক্ষে প্রশংসনীয় নতুন প্রথা হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

অতএব সঠিক কথা হলো—মিলাদ নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।

এ কারণে ‘মিলাদ পালন করলেই কাফের’ কিংবা ‘মিলাদ না করলে নবীজিকে ভালোবাসে না’—দুই কথাই অতিরঞ্জিত।

তাহলে ১২ রবিউল আউয়ালকে ‘তৃতীয় ঈদ’ বলা যাবে?

এখানে উত্তরটি অনেক বেশি পরিষ্কার।

ইসলামে নির্ধারিত বার্ষিক ঈদ হলো ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। নবী (সা.)-এর জন্মদিনকে ‘তৃতীয় ঈদ’ হিসেবে শরিয়ত নির্ধারণ করেছেন—এমন কোনো সহিহ হাদিস নেই।

সুতরাং ১২ রবিউল আউয়ালকে শরিয়ত নির্ধারিত তৃতীয় ঈদ মনে করা উচিত নয়।

এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য।

কেউ নবীজির সীরাত আলোচনা করলেন, দরুদ পড়লেন, কোরআন পড়লেন, দরিদ্রকে খাবার দিলেন—এসব ভালো কাজের জন্য আলাদা কোনো জন্মদিনের অনুমতির প্রয়োজন নেই। এগুলো সারা বছরই করা যায়।

কিন্তু এগুলোকে একত্র করে ‘এ দিনটি শরিয়ত নির্ধারিত বিশেষ ধর্মীয় উৎসব’ বলা হলে প্রশ্নটি ভিন্ন হয়ে যায়।

নবীজির প্রতি ভালোবাসার সবচেয়ে বড় প্রমাণ কী?

নবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু ভালোবাসার প্রকাশের ক্ষেত্রেও নবী নিজেই সীমারেখা দিয়েছেন।

সহিহ বুখারিতে তিনি বলেছেন:

“তোমরা আমার প্রশংসায় বাড়াবাড়ি করো না, যেমন খ্রিস্টানরা মরিয়মপুত্র ঈসার ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করেছে।” —সহিহ বুখারি, ৩৪৪৫।

অর্থাৎ নবীকে ভালোবাসতে হবে, সম্মান করতে হবে, তাঁর প্রশংসা করতে হবে—কিন্তু তাঁকে আল্লাহর কোনো গুণে অংশীদার করা যাবে না এবং তাঁর মর্যাদা বাড়াতে গিয়ে এমন কথা বলা যাবে না যার কোনো নির্ভরযোগ্য ভিত্তি নেই।

মিলাদের মাহফিলে জাল হাদিসের সমস্যা

এখানেই বিষয়টি আরও গুরুতর।

নবীজির জন্ম নিয়ে অসংখ্য গল্প ও বর্ণনা মুসলিম সমাজে প্রচলিত হয়েছে। এর মধ্যে কিছু বর্ণনার কোনো নির্ভরযোগ্য সনদ নেই, কিছু দুর্বল এবং কিছু জাল হিসেবে মুহাদ্দিসরা চিহ্নিত করেছেন।

যেমন—‘নবী (সা.) না হলে আসমান-জমিন সৃষ্টি হতো না’, ‘নূরে মুহাম্মদী থেকে সমগ্র সৃষ্টি সৃষ্টি হয়েছে’, জন্মের মুহূর্তে পৃথিবীর নানা স্থানে অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটেছিল—এ ধরনের বক্তব্যকে যাচাই ছাড়া হাদিস হিসেবে প্রচার করা ভয়ংকর ভুল।

কারণ নবী (সা.)-এর নামে এমন কথা বলা, যা তিনি বলেননি, কোনোভাবেই তাঁর প্রতি ভালোবাসার প্রমাণ হতে পারে না।

‘কিয়াম’ বা দাঁড়িয়ে সালাম?

উপমহাদেশের অনেক মিলাদ অনুষ্ঠানে একপর্যায়ে সবাই দাঁড়িয়ে সালাম পাঠ করেন। এটিকে সাধারণত কিয়াম বলা হয়।

কেউ এটিকে ভালোবাসা ও সম্মানের প্রকাশ মনে করেন। আবার কেউ বলেন, নবী (সা.)-এর রূহ ওই মাহফিলে উপস্থিত হয়—এমন বিশ্বাসের নির্ভরযোগ্য দলিল নেই।

এখানে একটি সতর্কতা জরুরি: কিয়াম করা বা না করা নিয়ে মতভেদকে কেন্দ্র করে কাউকে কাফের বা মুশরিক ঘোষণা করা উচিত নয়। তবে মৃত ব্যক্তির রূহ উপস্থিত হওয়ার মতো কোনো আকিদা গ্রহণ করতে হলে তার পক্ষে শক্তিশালী শরিয়তি দলিল থাকা প্রয়োজন।

তাহলে একজন মুসলমান কী করবেন?

এবার আসা যাক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে।

মিলাদুন্নবী পালন করা উচিত কি না?

যদি ‘মিলাদ’ বলতে বোঝানো হয়—

১২ রবিউল আউয়ালকে শরিয়ত নির্ধারিত একটি বিশেষ ঈদ বা ইবাদতের দিন মনে করা, প্রতিবছর এটিকে ধর্মীয় উৎসব হিসেবে পালন করা এবং এটিকে নবী (সা.)-এর সুন্নাহ বলে বিশ্বাস করা—তাহলে এর পক্ষে সহিহ হাদিস নেই। বরং নবী (সা.) ও সাহাবাদের আমলে এমন বার্ষিক ধর্মীয় উৎসবের প্রমাণও নেই। তাই এটিকে সুন্নাহ বা আবশ্যিক ধর্মীয় উৎসব হিসেবে পালন না করাই অধিক সতর্ক ও দলিলনির্ভর অবস্থান।

কিন্তু যদি কোনো মুসলমানের উদ্দেশ্য হয়—

কোরআন পড়া, নবীজির সীরাত আলোচনা করা, দরুদ পড়া, তাঁর চরিত্র সম্পর্কে মানুষকে শিক্ষা দেওয়া, গরিবকে খাওয়ানো এবং আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা—তাহলে এসব কাজ নিজের জায়গায় নেক আমল হতে পারে। এগুলোর জন্য নির্দিষ্ট ১২ রবিউল আউয়ালকে শরিয়ত নির্ধারিত উৎসব বানানো অপরিহার্য নয়।

সবচেয়ে নিরাপদ পথ হলো—মিলাদকে ধর্মীয় ঈদ বা নির্দিষ্ট সুন্নাহ মনে না করে নবীজির সীরাত ও সুন্নাহকে সারা বছর জীবনে বাস্তবায়ন করা।

তাহলে মিলাদ করা যাবে না—এটাই কি চূড়ান্ত কথা?

এখানে একটি ভারসাম্য জরুরি।

যে আলেমরা শর্তসাপেক্ষে মাওলিদকে বৈধ বলেছেন, তাঁদের মতকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যাবে না। আবার তাঁদের মত গ্রহণ করতেই হবে—এমনও নয়।

একজন মুসলমান নিজের জন্য অধিক সতর্ক মত গ্রহণ করতে পারেন এবং বলতে পারেন:

“আমি নবীজির জন্মদিনকে আলাদা ধর্মীয় উৎসব হিসেবে পালন করব না। কিন্তু নবীজির জন্ম, জীবন, চরিত্র ও শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করব; দরুদ পড়ব; তাঁর সুন্নাহ অনুসরণ করব; দরিদ্রকে সাহায্য করব—সারা বছর।”

এ অবস্থানটি নবীজির প্রতি ভালোবাসা কমায় না। বরং প্রশ্নটি হয়ে যায়—আমরা একদিন নবীজিকে স্মরণ করছি, নাকি তাঁর শিক্ষা প্রতিদিন অনুসরণ করছি?

তাই: মিলাদ নয়, নবীর জীবন হোক মুসলমানের উৎসব

একটি শিশুর জন্মদিনে কেক কাটা আর একজন নবীর জন্মকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় উৎসব তৈরি করা এক বিষয় নয়। ইসলামি ইবাদত ও ধর্মীয় উৎসবের ক্ষেত্রে দলিলের প্রশ্নটি তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম নিঃসন্দেহে মানবজাতির ইতিহাসের এক মহান ঘটনা। তাঁকে ভালোবাসা ঈমানের অংশ। তাঁর প্রতি দরুদ পাঠ, তাঁর সীরাত পাঠ, তাঁর চরিত্র অনুসরণ এবং তাঁর সুন্নাহ অনুযায়ী জীবনযাপন—এসবের প্রয়োজন প্রতিদিন।

কিন্তু ১২ রবিউল আউয়ালকে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল নির্ধারিত তৃতীয় ঈদ বা বিশেষ ইবাদতের দিন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সহিহ দলিল নেই।

তাই এই লেখার সিদ্ধান্ত একেবারে সরল:

নবীজির জন্মস্মরণ করা—হ্যাঁ।
নবীজির সীরাত আলোচনা—হ্যাঁ।
দরুদ ও সালাম—হ্যাঁ।
তাঁর চরিত্র ও সুন্নাহ অনুসরণ—অবশ্যই।
দান-সদকা—অবশ্যই।

কিন্তু ১২ রবিউল আউয়ালকে শরিয়ত নির্ধারিত ‘তৃতীয় ঈদ’ বা নবীজির নির্ধারিত বার্ষিক ধর্মীয় উৎসব মনে করা—এর পক্ষে সহিহ প্রমাণ নেই।

আর মিলাদের নামে জাল হাদিস, অতিরঞ্জিত আকিদা কিংবা শরিয়তবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড—তা যে কোনো দিনই বর্জনীয়।

নবী (সা.)-কে ভালোবাসার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা তাই একটি দিন নয়—পুরো জীবন।

সম্পাদকীয় নোট: ধর্মীয় বিষয়ে মতভেদ থাকা স্বাভাবিক। এই লেখার উদ্দেশ্য কোনো মুসলমানকে হেয় করা নয়; বরং প্রচলিত বিশ্বাস ও আমলকে কোরআন, সহিহ হাদিস এবং ইতিহাসের আলোকে যাচাই করার আহ্বান জানানো।

রেফারেন্স :

১. সহিহ মুসলিম, হাদিস ১১৬২ — সোমবার রোজা রাখার কারণ হিসেবে নবী (সা.) নিজের জন্মের দিন হওয়ার কথা বলেছেন।

২. সহিহ মুসলিম, হাদিস ১৭১৮ — দ্বীনের মধ্যে এমন নতুন বিষয় সংযোজনের ব্যাপারে সতর্কতা, যা এর অংশ নয়।

৩. সহিহ বুখারি, হাদিস ৩৪৪৫ — নবী (সা.)-এর প্রশংসায় সীমালঙ্ঘন না করার নির্দেশ।

৪. Mawlid-এর ঐতিহাসিক বিকাশ — ফাতিমীয় আমলে রাজদরবারকেন্দ্রিক মাওলিদের উল্লেখ এবং ১২০৭ সালে ইরবিলে মুযাফফরুদ্দীন গোকবোরীর বড় জনসমাগমের আয়োজন সম্পর্কে ঐতিহাসিক গবেষণা।

৫. Banglapedia, “Milad” — উপমহাদেশীয় প্রেক্ষাপট ও মাওলিদের ঐতিহাসিক বিকাশ সম্পর্কে তথ্য।

৬. মাওলিদ বিষয়ে ফিকহি মতভেদ — পরবর্তী যুগের আলেমদের মধ্যে অনুমোদন ও আপত্তি—উভয় ধারার ঐতিহাসিক উপস্থিতি।