‘‘দেশ থেকে দেশান্তরে, ভয়েস অব পিপল সবার ঘরে’’
ট্রাম্প খেলেন প্রচণ্ড ধাক্কা, ডেমোক্র্যাটের ক্ষমতা পাক্কা!
ভয়েস অব পিপল রিপোর্ট, ৪ নভেম্বর:
মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্প খেলেন প্রচণ্ড ধাক্কা, ডেমোক্র্যাটের ক্ষমতা হলো পাক্কা! ট্রাম্পের দর্প হলো চূর্ণ, ডেমোক্র্যাটের আশা হলো পূর্ণ। ধরল ফাটল ট্রাম্পের ক্ষমতার দুর্গে, রিপাবলিকানরা পড়ল রাজনৈতিক দুর্ভাগ্যে! ভোটের মাঠে ট্রাম্পের ভরাডুবি, রিপাবলিকানরা খাচ্ছে খাবি! ট্রাম্পের কপালে চিন্তার ভাঁজ, ডেমোক্র্যাটদের নতুন সাজ! যুদ্ধের চাপ, বাজারের তাপ, মানুষের ক্ষোভের অভিশাপ, সব মিলিয়ে ট্রাম্পের রাজনীতিতে পড়ল বড়সড় ছাপ!

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে তাঁর দল রিপাবলিকান পার্টি। অন্যদিকে দুই কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা ফিরে পেয়েছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটরা প্রয়োজনীয় ২১৮টি আসন ছাড়িয়ে ২২৮টি আসনে জয় পেয়েছে। রিপাবলিকানদের আসন তখন পর্যন্ত ১৩৯টি। সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের আসন দাঁড়িয়েছে ৫৪টি, রিপাবলিকানদের ৪৪টি। আলাস্কা ও মিসিসিপির দুটি আসনে তখনো ভোট গণনা চলছিল। ফলে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প থাকলেও আইনসভায় তাঁর দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা শেষ হয়ে যাচ্ছে।
কোন রাজ্যে কে জিতলেন, ভোটের হিসাব কী

এবারের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের দীর্ঘদিনের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কয়েকটি রাজ্যেও ডেমোক্র্যাটরা জয় পেয়েছেন। সিনেটের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রতিদ্বন্দ্বিতার ফল ছিল এমন—
টেক্সাসে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস তালারিকো পেয়েছেন ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার ১২১ ভোট, অর্থাৎ প্রায় ৫৫ শতাংশ। রিপাবলিকান কেন প্যাক্সটন পেয়েছেন ৪২ লাখ ৪৯ হাজার ৭৫২ ভোট, প্রায় ৪৩ শতাংশ। এই জয় টেক্সাসের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
জর্জিয়ায় ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফ পেয়েছেন ২৪ লাখ ৬৬ হাজার ২০৭ ভোট, ৫৯ শতাংশ। তাঁর রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক কলিন্স পেয়েছেন ১৭ লাখ ১১ হাজার ৭৪৭ ভোট, ৪১ শতাংশ।
ওহাইওতে ডেমোক্র্যাট শেরড ব্রাউন পেয়েছেন ২৩ লাখ ১ হাজার ৪২ ভোট, প্রায় ৫০ শতাংশ। রিপাবলিকান জন হাস্টেড পেয়েছেন ২০ লাখ ৭৭ হাজার ৭৪৮ ভোট, প্রায় ৪৫ শতাংশ।
মেইনে ডেমোক্র্যাট ট্রয় জ্যাকসন পেয়েছেন ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪২৯ ভোট, ৫৩ শতাংশ। দীর্ঘদিনের রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স পেয়েছেন ৩ লাখ ২০ হাজার ৯২৬ ভোট, ৪৭ শতাংশ। প্রায় তিন দশক ধরে সিনেটে থাকা কলিন্সের পরাজয় রিপাবলিকানদের জন্য উল্লেখযোগ্য ধাক্কা।
কানসাসে ডেমোক্র্যাট অ্যাডাম হ্যামিল্টন রিপাবলিকান রজার মার্শালকে পরাজিত করে সিনেট আসনটি পেয়েছেন। প্রায় ৯৪ বছর পর এই রাজ্য থেকে ডেমোক্র্যাট সিনেটর নির্বাচিত হলেন।
আইওয়ায় ডেমোক্র্যাট জশ তুরেক রিপাবলিকান অ্যাশলি হিনসনকে হারিয়ে সিনেট আসনটি জিতেছেন। নর্থ ক্যারোলাইনায় ডেমোক্র্যাট রয় কুপার রিপাবলিকান মাইকেল হোয়াটলিকে পরাজিত করেছেন। সাউথ ক্যারোলাইনায়ও ডেমোক্র্যাট অ্যানি অ্যান্ড্রুজ জয় পেয়েছেন।
মিশিগানে ডেমোক্র্যাট আবদুল এল-সায়েদ রিপাবলিকান মাইক রজার্সকে হারিয়ে সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন।
আলাস্কায় ডেমোক্র্যাট মেরি পেলটোলা ও রিপাবলিকান ড্যান সুলিভানের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ছিল খুবই কম। ৭৪ শতাংশ ভোট গণনার সময় পেলটোলা পেয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৭০১ ভোট বা ৪৮ দশমিক ২ শতাংশ। সুলিভান পেয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৭৫ ভোট বা ৪৭ দশমিক ৯ শতাংশ। মিসিসিপিতেও ডেমোক্র্যাট স্কট কলম ও রিপাবলিকান সিনেটর সিন্ডি হাইড-স্মিথের মধ্যে ব্যবধান ছিল মাত্র ৬৫ ভোট। তাই এ দুটি আসনের ফল তখনো চূড়ান্ত হয়নি।
প্রতিনিধি পরিষদেও ডেমোক্র্যাটরা উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসন রিপাবলিকানদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে। ওহাইও, অ্যারিজোনা, নিউ জার্সি, পেনসিলভানিয়া, আইওয়া, উইসকনসিন, নেব্রাস্কা, কলোরাডো, টেক্সাস ও ক্যালিফোর্নিয়ার বিভিন্ন আসনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। ফলে শুধু সিনেট নয়, প্রতিনিধি পরিষদেও রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ হারাতে হয়েছে।
রাজ্য গভর্নর নির্বাচনেও ডেমোক্র্যাটদের সাফল্য দেখা গেছে। জর্জিয়ায় কেইশা ল্যান্স বটমস ৫৪ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট পেয়ে গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন। টেক্সাসে জিনা হিনোজোসা প্রথম লাতিনা গভর্নর হওয়ার ইতিহাস গড়েছেন। নেভাদায় অ্যারন ফোর্ড প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন।
এ নির্বাচন শুধু কয়েকটি আসনের জয়-পরাজয় নয়; ট্রাম্পের শাসন, অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি এবং রাজনৈতিক আচরণের ওপর জনগণের মূল্যায়ন হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
কেন হারল ট্রাম্পের দল
নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, জীবনযাত্রার ব্যয়, ইরান যুদ্ধ, জ্বালানির দাম এবং সরকারের ওপর অসন্তোষ রিপাবলিকানদের পরাজয়ের বড় কারণ হয়ে উঠেছে।
প্রথমত, মূল্যস্ফীতি ও নিত্যপণ্যের দাম। খাদ্য, জ্বালানি ও দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যে সাধারণ মার্কিন পরিবারগুলো চাপে ছিল। নির্বাচনী বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রায় ১০ জন ভোটারের মধ্যে ৯ জনই বলেছেন, জীবনযাত্রার ব্যয় তাঁদের ভোটের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
দ্বিতীয়ত, ইরান যুদ্ধ। আট মাসের বেশি সময় ধরে চলা এই সংঘাতের কারণে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। গ্যাসোলিনের দাম বেড়েছে, যুদ্ধের ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অনেক ভোটার বিদেশে নতুন সামরিক সংঘাতে জড়ানোর বিরোধিতা করেছেন।
তৃতীয়ত, সরকারের স্বচ্ছতা ও দুর্নীতির অভিযোগ। প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার ব্যবহার, প্রশাসনের সিদ্ধান্ত এবং সরকারি ব্যয়ের জবাবদিহি নিয়ে ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ ছিল। কংগ্রেসের মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিষয়টিও ভোটারদের কাছে গুরুত্ব পেয়েছে।
রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ভোট গণনা হওয়া প্রায় ২ হাজার ২০০ কাউন্টির মধ্যে ৯৯ শতাংশ এলাকায় ২০২৪ সালের তুলনায় রিপাবলিকানদের ভোটের অংশ কমেছে। গড়ে তাদের ভোটের অংশ প্রায় ৮ শতাংশ পয়েন্ট কমেছে। হিস্পানিক সংখ্যাগরিষ্ঠ ৬৪টি কাউন্টির সবকটিতেই রিপাবলিকানদের ভোটের অংশ কমেছে। এসব এলাকায় ২০২৪ সালের তুলনায় তাদের ভোটের অংশ কমেছে প্রায় ১৪ শতাংশ পয়েন্ট।
অর্থাৎ রিপাবলিকানদের পরাজয় শুধু কয়েকটি শহর বা রাজ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; বিভিন্ন অঞ্চল ও ভোটারগোষ্ঠীর মধ্যেই দলটির সমর্থন কমেছে।
টেক্সাসসহ বিভিন্ন রাজ্যে ডেমোক্র্যাটদের সাফল্য

এ নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের সাফল্য শুধু ঐতিহ্যগতভাবে তাদের শক্তিশালী রাজ্যগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকেনি। টেক্সাস, আইওয়া, কানসাস, সাউথ ক্যারোলাইনা ও ওহাইওর মতো রাজ্যেও গুরুত্বপূর্ণ আসনে জয় পেয়েছে তারা। কানসাসে প্রায় ৯৪ বছর পর একজন ডেমোক্র্যাট সিনেটর নির্বাচিত হওয়া বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
টেক্সাসের ফলও রিপাবলিকানদের জন্য বড় ধাক্কা। দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যটিকে রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হলেও এবারের ফল দেখিয়েছে, সেখানে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে।
বিশেষ করে তরুণ ও হিস্পানিক ভোটারদের একটি অংশ রিপাবলিকানদের কাছ থেকে সরে ডেমোক্র্যাটদের দিকে ঝুঁকেছেন। জীবনযাত্রার ব্যয়, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা ও যুদ্ধের প্রশ্ন তাদের ভোটের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।
কংগ্রেসে এবার ট্রাম্পের জন্য কঠিন সময়
দুই কক্ষেই ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটরা সরকারের ব্যয়, নীতিনির্ধারণ, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং প্রেসিডেন্টের কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্ত ও জবাবদিহি দাবি করতে পারবেন।
তারা স্বাস্থ্যসেবা খাতে রিপাবলিকানদের নেওয়া কিছু সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নিতে পারেন। জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, সরকারি কর্মসূচি রক্ষা এবং প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাও তাদের অগ্রাধিকারে থাকতে পারে।
প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফরিস স্পিকার হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আসতে পারেন। তিনি নির্বাচিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
তবে কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই ডেমোক্র্যাটরা সব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে পারবেন, এমন নয়। প্রেসিডেন্টের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। ফলে আইন পাস, বাজেট অনুমোদন এবং গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংঘাত তৈরি হতে পারে।
ট্রাম্প কি তাহলে অভিশংসনের মুখে পড়বেন?

ডেমোক্র্যাটদের একটি অংশ ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্ত এবং প্রয়োজনে অভিশংসনের বিষয়টিও আলোচনায় রাখতে পারে। তবে অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু করা আর প্রেসিডেন্টকে পদ থেকে সরানো এক বিষয় নয়। প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসনের অভিযোগ অনুমোদিত হলেও সিনেটে দোষী সাব্যস্ত করতে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট প্রয়োজন।
তাই ডেমোক্র্যাটদের জন্য সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ হতে পারে তদন্ত, শুনানি, নথি প্রকাশ এবং প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করা। এসব পদক্ষেপ ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করতে পারে, যদিও তাঁকে সরাসরি ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার নিশ্চয়তা নেই।
২০২৮ সালের নির্বাচনের আগেই শুরু নতুন লড়াই
২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলবে। ডেমোক্র্যাটরা এখন নিজেদের নীতিগত অবস্থান ও নেতৃত্বকে শক্তিশালী করার সুযোগ পেয়েছে। অন্যদিকে রিপাবলিকানদের সামনে প্রশ্ন উঠবে—ট্রাম্পের রাজনৈতিক কৌশল ধরে রাখা হবে, নাকি দলের ভেতরে নতুন নেতৃত্ব ও নীতির প্রয়োজন স্বীকার করা হবে?
ট্রাম্প নির্বাচনের ফল মেনে নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং কিছু বিষয়ে সহযোগিতার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে তাঁর বক্তব্যে এটাও স্পষ্ট, ডেমোক্র্যাটদের আনা কিছু প্রস্তাবকে তিনি ভেটো দিতে পারেন।
সব মিলিয়ে এই নির্বাচন দেখিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতায় বসালেও তাঁর সব সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন দিতে বাধ্য নন। অর্থনৈতিক চাপ, যুদ্ধের ব্যয় এবং রাজনৈতিক জবাবদিহির প্রশ্নে অসন্তুষ্ট হলে মধ্যবর্তী নির্বাচনেই তারা ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিতে পারেন।
ট্রাম্পের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ শুধু বিরোধী দলের নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের সঙ্গে কাজ করা নয়; বরং যে ভোটাররা তাঁকে ক্ষমতায় এনেছিলেন, তাঁদের আস্থাও ফিরিয়ে আনা। আর ডেমোক্র্যাটদের জন্যও পরীক্ষা শুরু—তারা কি শুধু ট্রাম্পবিরোধী ভোটের সুবিধা নিয়েছেন, নাকি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারবেন?